ইমিউনিটি চাই ত্বকেরও

করেছে Suraiya Naznin

রোদসী ডেস্ক:

আকাশ কালো করে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, তো পরক্ষণেই রোদের ঠেলায় অতিষ্ঠ প্রাণ! ত্বকের অবস্থাও ততধিক শোচনীয়। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় সে আরও বিপর্যস্ত। তার উপর অবহেলা, অনিয়মিত যত্ন, এ সব তো উপরি পাওনা। মাঝেসাঝে একটু-আধটু যত্ন নিলেই যদি সমস্যা মিটে যায়, তাহলে সেই সময়টুকু ব্যয় করতে ক্ষতি কী? আবহাওয়ার টানাপড়েন থেকে ত্বককে বাঁচাতে বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলুন।

 

 

আর্দ্রতার মোকাবিলায়
শীত থেকে গ্রীষ্ম এবং শরৎ থেকে শীত, মূলত এই দুই ঋতু পরিবর্তনের সময়ই এক ধাক্কায় আর্দ্রতার অনেকটা পার্থক্য হয়ে যায়। এই কারণেই, শীতের শেষেও, মানে যাকে আমরা বসন্তকাল বলে থাকি, সেই সময়ও ত্বক খুব শুষ্ক এবং রুক্ষ থাকে। তাপমাত্রা বাড়তে থাকলেও, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ তখনও বেশ কম থাকে। কিন্তু তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে ভেবে, আমরাও ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাই না। ফলে রুক্ষতা বাসা বাঁধে। দীর্ঘদিন এই একই অত্যাচার সহ্য করতে করতে ত্বকের জলধারণ ক্ষমতাও কমতে থাকে। ফলে ত্বক সজীবতা হারিয়ে ফেলে। একইভাবে সময় যখন শরৎ থেকে শীতের দিকে এগোচ্ছে, সেই সময়ও রুপরুটিনে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনুন। এতে ত্বকও ঋতু বদলের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সময় পাবে।

রোদের অদল-বদল
সারাবছর সানস্ক্রিন একইরকম প্রয়োজনীয়, এ কথা সকলেই জানেন। কিন্তু ঠিক ক’জন সে কথা মেনে চলেন? হলপ করে বলতে পারি, সংখ্যাটা নিতান্তই কম। মেঘলা আকাশ দেখলেই সানস্ক্রিনের প্রয়োজনীয়তার কথা বেমালুম ভুলে যান বেশিরভাগ মানুষই। কিন্তু সমস্যাটা তো শুধুমাত্র রোদ নিয়ে নয়। আসল সমস্যা সূর্যের আলো নিয়ে। দিনের বেলা আকাশ যতই মেঘলা থাকুক, অন্ধকার না নামা অবধি কিন্তু আপনার ত্বকে সূর্যরশ্মির প্রবেশ ঘটে। ক্ষতি আটকাতে চাইলে দিনের আলো থাকাকালীন গোটা সময়টাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। আর শুধু তাই নয়, এখনকার উন্নতমানের সানস্ক্রিন বিভিন্ন ধরনের তাপ থেকে হওয়া ক্ষতি প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও রাখে। ফলে যাঁরা বাড়িতে রান্নাঘরে দিনের অনেকটা সময় ব্যয় করেন, বা কোনো ধরনের আগুন বা তাপের সামনে থাকেন, প্রত্যেকের জন্যই সানস্ক্রিন সমান প্রয়োজনীয়।

 

জীবাণুর সংক্রমণ রুখতে
শুধুমাত্র বর্ষাকালেই যে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে তা নয়। বছরের অন্যান্য সময় বৃষ্টিপাত হলে, তখনও ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। একটানা বেশ ক’দিন আকাশ মেঘলা থাকলে, বা বৃষ্টিপাত হলে, নিমপাতা, কর্পূর, তুলসী, পুদিনা ইত্যাদি স্নানের জলে মিশিয়ে নিতে পারেন। অথবা সরাসরি এদের রূপরুটিনে সামিল করতে পারেন।

০ মন্তব্য করো
0

You may also like

তোমার মন্তব্য লেখো

eleven + 8 =