কান্নায় আয়ু বাড়ে!

করেছে Tania Akter

রোদসী ডেস্ক

মন খুলে কাঁদুন! কারণ কান্নায়ও সুফল মেলে। মানসিক চাপ কমাতে , চোখ পরিষ্কার রাখতে, রক্ত চলাচল বাড়াতে সর্বোপরি শরীরের রোগ প্রতিরোধী উপাদান তৈরি করতে কান্না মহৌষধ! তবে কৃত্রিম কান্না নয়। কাঁদতে হবে আবেগ নিয়ে। কান্নার থাকতে হবে নির্দিষ্ট কারণ। তবেই সুফল মিলবে কান্নায়। সম্প্রতি এক গবেষনায়ও মিলেছে এ তথ্য।


চোখের সুবিধায় কান্না
চোখের পানিতে অনেক বেশি মাত্রায় লাইসোজোম উপস্থিত থাকায় মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই চোখের ৯০ শতাংশ ব্যাকটিরিয়া মেরে ফেলে। কারণ লাইসোজোম জীবানুনাশক। ধুলোবালি থেকে রক্ষা পেতেও কাঁদুন। কারণ এটি চোখের মনি ও পাতাকে রাখে মসৃন পাশাপাশি চোখের বাহ্যিক তল থেকে ধুয়ে বের করে দেয়। এছাড়াও চোখের শুষ্কতা দূর করতেও কান্নায় সুফল মেলে কারণ চোখের মিউকাস মেমব্রেনের ডিহাইড্রেশন রোধ করে। কান্নায় চোখের তরল পদার্থ নির্গত হওয়ায় চোখের জ্বালাপোড়া দূর হয়। দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। সুতরাং চোখ ভালো রাখতে কান্নার সুবিধা অনে।

মন ফুরফুরে রাখতে
মন ভালো রাখার উপাদান হলো এন্ডরফিনস। কান্নায় এটি তৈরি হয়। ফলে কান্না শেষে মন ভালো থাকে। তাই মনকে ভালো রাখতে যখনই কান্না পায় মন খুলে কেঁদে নিন। এটি হৃদযন্ত্রও ভালো রাখে।

ক্লান্তি দূর করতে
ক্লান্তি কিংবা অবসাদের সঙ্গে দেহে উৎপন্ন টক্সিনও বের হয়ে যায় কাঁদলে। অফিসে কাজের চাপ কিংবা সংসারের দায়িত্বে ভারাক্রান্ত মন থেকে বেরুতে এটিও একটি অন্যতম সমাধান। কান্নায় শরীরের ব্যাথাও লাগব হয়। তাই কান্না চেপে না রেখে যখনই কান্না পায় কাঁদুন।

হাসির পাশাপাশি যখনই কান্না পায় আটকে না রেখে কেঁদে নিন। লোকলজ্জার ভয়ে নিজেকে দুর্বল না ভেবে কেঁদে মন এবং শরীর ভালো রাখুন। তাহলে মনের চাপ কমবে আর শরীর থাকবে সুস্থ। বাড়বে আয়ুও।

ছবি: ইন্টারনেট

০ মন্তব্য করো
0

You may also like

তোমার মন্তব্য লেখো

7 + 7 =