বাল্যবিবাহে ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েরা

করেছে Sabiha Zaman

বাংলাদেশে নারীদের প্রায়ই আর্থিক বোঝা হিসেবে দেখা হয়। শুধু তাই নয়, পরিবারের সম্মান রক্ষার ক্ষেত্রেও নারীরা সাধারণত বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। একটি মেয়েশিশু যখন যৌবনপ্রাপ্ত হয়, তাদের পিতা-মাতা তখন তাদের সতীত্ব রক্ষার জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। বাল্যবিবাহ রোধ করার ক্ষেত্রে এটি হলো মূল বাধা। কারণ,

সাম্প্রতিক গবেষণার ফল অনুযায়ী, যেসব পিতা-মাতা মেয়েশিশুদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, তারা মেয়েশিশুর বয়ঃসন্ধির শুরুতে যৌন নির্যাতনের ভয় অনুভব করে। অথচ অনেক বিবাহিত কিশোরী দৈহিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয় বা এসবের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। এসব কিশোরী মেয়ের মধ্যে ৩৩ শতাংশ বিশ্বাস করে যে স্বামীর তার স্ত্রীকে আঘাত করা যৌক্তিক!

বিয়ের বাইরে যৌন কার্যকলাপ শুরু করার ব্যাপারে মেয়েদের উপলব্ধিকে সামাজিক মূল্যবোধের বা নিয়মকানুনের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হয়। পবিত্রতা ও সম্মান এ দুইয়ের মধ্যে আপসের উপলব্ধি থেকে তাদের কলঙ্কিনী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। যদিও শিশুদের বিয়ে দেওয়া একধরনের যৌন নির্যাতনের মধ্যে পড়ে বলে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে না। এ কারণে যেসব কিশোরী মেয়ের বিয়ে হয়, তারা আগাম গর্ভবতী হওয়ার ও নেতিবাচক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকে।

২০১৪ সালের জুলাইয়ে, জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফ ও যুক্তরাজ্য সরকারের যৌথ আয়োজনে ২১ থেকে ২৩ জুলাই লন্ডনে অনুষ্ঠিত গার্ল সামিটে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ বছর বয়সের আগে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ১৮ বছরের আগে মেয়েদের বিয়ে সম্পূণর্ভাবে বন্ধ করার  লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছিলেন।

১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার সারা বিশ্বে সর্বোচ্চ

কিন্তু তারপরই তিনি মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ থেকে ১৬-তে নামিয়ে আনার একটা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা কি না এ ব্যাপারে তার অঙ্গীকার নিয়ে গুরুতর সংশয় জাগাএছচ। বাংলাদেশের নারীর বিয়ের বয়স ১৮ থেকে নামিয়ে ১৬ করার পদক্ষেপ নেওয়ায় সরকারের এ সিদ্ধান্তে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এরপর সরকার সেটিকে সংশোধন করে নারীর বিয়ের বয়স ১৮ রাখে। কিন্তু, বিশেষ ক্ষেত্রে বাবা-মা চাইলে তাদের মেয়েকে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে দিতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

ইউনিসেফের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার সারা বিশ্বে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশে শতকরা ২৯ ভাগ মেয়েরই বিয়ে হয় ১৫ বছরের কম বয়সে। এর মধ্যে শতকরা ২ ভাগ মেয়ের বিয়ে হয় ১১ বছরের কম বয়সে।

অন্যদিকে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ব্যাপক প্রবণতাও অনেক মেয়েকে এর ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। এসব দুর্যোগ তাদের  পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা পরিবারগুলোকে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। বাল্যবিবাহ বাংলাদেশে এক মহামারি হয়ে উঠেছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যা শুধু আরও খারাপের দিকে যায় বলেছেন নারী অধিকারবিষয়ক সিনিয়র গবেষক হিদার বার। তিনি আরো বলেন , ‘ বাংলাদেশ সরকার কিছু ঠিক কথা বলেছে, কিন্তু মেয়েদের বিয়ের বয়স কমিয়ে আনার যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা ভুল বার্তা দিচ্ছে। সরকারের উচিত মেয়েদের আরও একটি প্রজন্ম হারিয়ে যাওয়ার আগেই সক্রিয় হওয়া।’

বাংলাদেশে শতকরা ২৯ ভাগ মেয়েরই বিয়ে হয় ১৫ বছরের কম বয়সে

মানুষকে বাল্যবিবাহের দিকে ঠেলে দেওয়ার কারণগুলো কী? এমন উত্তর খুঁজতে গেলে দেখা যায় দারিদ্র্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শিক্ষায় অধিকারের অভাব, সামাজিক চাপ, হয়রানি ও যৌতুক ইত্যাদি। বাল্যবিবাহ বাংলাদেশে একটি মেয়ে ও তার পরিবারের কী ধরনের ক্ষতি করে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। যেমন মাধ্যমিক পর্যায়েই পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া, গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যা, আগাম গর্ভধারণের ফলে যা মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে, স্বামী পরিত্যক্ত হওয়া এবং স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাতে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হওয়া।

বাল্যবিবাহ বাংলাদেশে ১৯২৯ সাল থেকে অবৈধ। ১৯৮০ সালে বিয়ের ন্যূনতম বয়স মেয়েদের ১৮, ছেলেদের ২১ নির্ধারণ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের হার বিশ্বে চতুর্থ সর্বোচ্চ। এ ক্ষেত্রে নাইজার, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও চাদের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশে শতকরা ৬৫ ভাগ মেয়ের বিয়ে হয় ১৮ বছর বয়সের আগেই।

বিদ্যমান আইন প্রয়োগ ও বাল্যবিবাহের যেসব কারণ রয়েছে সেগুলো মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতায় গরিব পরিবারগুলো নিম্নোক্ত সমস্যায় বাল্যবিবাহকেই উপযুক্ত সমাধান মনে করে আসছে-

  • যেসব বাবা-মা ছেলেমেয়েদের ঠিকমতো খাওয়াতে পারে না, তাদের পড়ালেখার খরচ জোগাতে পারে না, তারা মেয়ের জন্য একটা বর খুঁজে নিতে চাইতে পারে, যাতে মেয়েটা অন্তত খেতে পায়।
  • শিক্ষা অবৈতনিক হওয়া সত্ত্বেও অনেক গরিব মেয়ে স্কুলে যেতে পারে না, কারণ তাদের পরিবার পরীক্ষার ফি, স্কুল পোশাক, খাতা-কলমসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ জোগাতে পারে না।
  • ক্যেসব মেয়ে স্কুল ছেড়ে যায়, বাবা-মা প্রায়ই তাদের বিয়ে দিয়ে দেন।
  • অবিবাহিত মেয়েদের যৌন হয়রানি এবং তা ঠেকাতে পুলিশের ব্যর্থতাও বাল্যবিবাহকে ত্বরান্বিত করে।
  • সামাজিক চাপ ও রীতিনীতি, যৌতুক দেওয়ার ব্যাপক প্রচলন, যত কম বয়সী মেয়ে তত কম যৌতুকÑ এ ধারণা বাল্যবিবাহকে অনেক সম্প্রদায়ের কাছে শুধু গ্রহণযোগ্যই করে রাখে না, প্রত্যাশিতও করে তোলে।

বাংলাদেশে শতকরা ৬৫ ভাগ মেয়ের বিয়ে হয় ১৮ বছর বয়সের আগেই।

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত ও জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। এসব দুর্যোগ অনেক পরিবারকেই গভীর দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেয়, যা তাদের মেয়েদের শিশু বয়সে বিয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। পরিবারগুলো জানিয়েছে, এসব দুর্যোগের পর অথবা তা আগাম অনুমান করেই তারা অল্প বয়সী মেয়েদের দ্রুত বিয়ের ব্যবস্থা করার চাপ অনুভব করে। বিশেষ করে নদীভাঙনে ক্রমাগত ধ্বংসযজ্ঞের ফলে যারা ঘরবাড়ি, জমিজমা হারায়, তাদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।

বাংলাদেশ সরকার বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। ২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু সম্মেলন’-এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বাল্যবিবাহ বন্ধের অঙ্গীকার করেছিলেন৷ তিনি কতগুলো পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে ২০১৪ সালের মধ্যেই আইনের সংস্কার ও একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন। বাজে ব্যাপার হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার উল্টো মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ থেকে ১৬-তে নামিয়ে আনার ভুল পদক্ষেপ নিয়েছে।

স্থানীয় সরকারের অনেক কর্মকর্তার কারণেও বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকা মেয়েরা নিজেদের রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে। বাংলাদেশের আইনে যে ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের বিয়ে দেওয়া অবৈধ, এ ব্যাপারে সচেতনতা বাড়ছে। কিন্তু বাল্যবিবাহে ব্যাপক সহযোগিতা দিয়ে স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তারা এ সচেতনতাকে  মারাত্মকভাবে অবমূল্যায়ন করছেন। স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তারা ঘুষের বিনিময়ে ভুয়া জন্মসনদ দিয়ে মেয়েদের বয়স ১৮-এর বেশি দেখাচ্ছেন। এমনকি স্থানীয় কর্মকর্তারা যদি বিয়ে ঠেকিয়েও দেন, যা তারা মাঝেমধ্যে করে থাকেন, পরিবারের সদস্যরা অন্য কাউকে দিয়ে সহজেই বিয়ের কাজটি সেরে নিতে পারেন।

বাল্যবিবাহে ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েরা

অন্য অনেক ক্ষেত্রেই উন্নয়নের সফল উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে নারীর অধিকারও। বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ১৯৯১-৯২ সালের তুলনায় ২০১০ সালে ৫৬.৭ শতাংশ থেকে ৩১.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়টি জাতিসংঘকে চমৎকৃত করেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ লৈঙ্গিক সমতা অর্জন করেছে। মাতৃমৃত্যু ২০০১ সালের তুলনায় ২০১০ সালে ৪০ ভাগ কমে এসেছে দেশটিতে। নানা বিষয়ে উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যে এ প্রশ্নটি আরও বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে যে তাহলে এখানে কেন এখনো বাল্যবিবাহের হার উচ্চমাত্রাই রয়ে গেছে, যা কিনা বিশ্বে অন্যতম নিকৃষ্ট।

অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি, নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ ও শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে নারী ও শিশুর অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব অধিকারের মধ্যে রয়েছে মানসম্মত স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বৈষম্যমুক্ত থাকার অধিকার, বিয়েতে স্বাধীন ও পূর্ণ মতামত দেওয়ার অধিকার, দাম্পত্য সঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার, শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনমুক্ত থাকার অধিকার। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ দেখেছে, বাল্যবিবাহের ফলে এসব অধিকারের বাস্তবায়ন ও সুরক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যেতে পারে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের গ্রামপর্যায়ে গবেষণায় বাল্যবিবাহ-সম্পর্কিত আইন প্রয়োগে ব্যর্থতা, স্বাথ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সহায়তা প্রকল্পগুলোয় গলদ, যা বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকা মেয়েদের জন্য আরও অনেক কিছু করতে পারত, সে চিত্র তুলে ধরেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষা অবৈতনিক করার মধ্য দিয়ে শিক্ষায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে সরকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু স্কুলে যাওয়ার আনুষঙ্গিক আরও অনেক খরচের কারণে শিক্ষা, বিশেষত মাধ্যমিক শিক্ষা এখনো অনেক শিশুর সাধ্যের বাইরে রয়েছে।

অল্প বয়সী মেয়েরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

মেয়েদের বেলায় প্রায়ই এর পরিণতি হচ্ছে বাল্যবিবাহ। যেসব সরকারি সংস্থা দরিদ্র ও প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিচ্ছে, তাদের বাল্যবিবাহ বন্ধে আরও দক্ষ হতে হবে। প্রজননস্বাথ্য ও জন্মনিরোধক সামগ্রী কোথায় সরবরাহ করা হয়, সে-সম্পর্কিত তথ্য অনেক মেয়ের কাছেই নেই, যাদের কি না এটি সবচেয়ে বেশি দরকার। সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার এমন মেয়েদের মধ্যে আমরা যাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছি প্রায়ই দেখা গেছে যে তাদের সাহায্যের জন্য কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। বাল্যবিবাহ-সম্পর্কিত বাংলাদেশের আইনটির সংস্কার হওয়া প্রয়োজন, এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে এটি পরিপূর্ণভাবে কার্যকর করা প্রয়োজন।

‘অল্প বয়সী মেয়েরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। বাল্যবিবাহ সম্পর্কে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা তাদের ভয়াবহ ক্ষতি করছে’,বলেন বার। তিনি আরও বলেন, মেয়েদের স্কুলে ধরে রাখা, বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকা মেয়েদের সহায়তা করা, যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে লড়াই, প্রজনস্বাথ্য সম্পর্কিত তথ্য ও জন্মনিরোধক সামগ্রী পাওয়া, এসব ব্যাপারে সরকার ও তার দাতাগোষ্ঠীর আরও অনেক কিছু করা উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সরকারের উচিত বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে তার নিজের আইনটি প্রয়োগ করা।’

তথ্যসূত্র  ঃইউনিসেফ এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

ছবিঃ  ইউনিসেফ ও ইন্টারনেট

০ মন্তব্য করো
0

You may also like

তোমার মন্তব্য লেখো

nine + ten =