বীর্যপাত মানেই কি শরীরের শক্তি কমে যায়? হস্তমৈথুন কি ভবিষ্যৎ যৌনজীবন নষ্ট করে? সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমে যায়? নাকি এসবের বেশির ভাগই আমাদের বহুদিনের ভুল ধারণা?
“হস্তমৈথুন করলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।”
“বিয়ের পর যৌনক্ষমতা থাকবে না।”
“বীর্য বেরিয়ে গেলে শরীরের শক্তি নষ্ট হয়।”
“বেশি করলে ভবিষ্যতে সন্তান হবে না।”
কথাগুলো এতবার শুনেছি যে অনেকের কাছে এগুলো আর প্রশ্নই মনে হয় না—সত্য বলেই মনে হয়। বিশেষ করে কৈশোর ও তারুণ্যে এসব নিয়ে ভয়, অপরাধবোধ ও লজ্জা তৈরি হওয়া খুবই সাধারণ। কিন্তু একটি সহজ প্রশ্ন করা দরকার—এসব কথার পেছনে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রমাণ কতটা আছে?
আধুনিক যৌনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় হস্তমৈথুনকে সাধারণ মানব যৌন আচরণের একটি অংশ হিসেবে দেখা হয়। ২০২৪ সালে Healthcare জার্নালে প্রকাশিত একটি systematic review-তে হস্তমৈথুনকে যৌনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। গবেষকেরা একই সঙ্গে দেখিয়েছেন, হস্তমৈথুনের সঙ্গে যৌনসন্তুষ্টির সম্পর্ক একরৈখিক নয়; ব্যক্তিভেদে অভিজ্ঞতা আলাদা হতে পারে।
অর্থাৎ, বিষয়টি নিয়ে অযথা ভয় যেমন ঠিক নয়, তেমনি হস্তমৈথুন নিয়ে প্রত্যেকের অভিজ্ঞতা একই হবে—এমন ধারণাও ঠিক নয়।
তাহলে হস্তমৈথুন আসলে কী?
নিজের যৌনাঙ্গ বা শরীরের সংবেদনশীল অংশে স্পর্শ বা উদ্দীপনার মাধ্যমে যৌন আনন্দ পাওয়াকে সাধারণভাবে হস্তমৈথুন বলা হয়। এটি নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই দেখা যায়। কেউ হস্তমৈথুন করেন, কেউ করেন না—দুটিই স্বাভাবিক।
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এর কোনো নির্দিষ্ট ‘স্বাভাবিক সংখ্যা’ নেই। শুধু কতবার করা হচ্ছে, সেটি দিয়ে কোনো আচরণকে সমস্যা বলা যায় না। বরং সেটি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক, কাজ বা মানসিক সুস্থতায় কী প্রভাব ফেলছে, সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যৌনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণাতেও শুধু frequency-এর পরিবর্তে আচরণের প্রেক্ষাপট ও তার প্রভাব বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মিথ ১: হস্তমৈথুন করলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়
হস্তমৈথুনের কারণে শরীরের স্থায়ী শক্তি কমে যায়—এমন নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। অর্গাজমের পর কিছু মানুষের সাময়িকভাবে আরাম, শিথিলতা বা ঘুমঘুম ভাব হতে পারে। এটি শরীরের ‘স্থায়ী শক্তি ক্ষয়’ হওয়ার প্রমাণ নয়।
গবেষণায় দেখা যায়, অর্গাজমের সময় শরীরে সাময়িক কিছু শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে—যেমন হৃদস্পন্দন ও কিছু হরমোনের পরিবর্তন। পুরুষদের ওপর করা একটি গবেষণায় অর্গাজমের পর prolactin-এর মাত্রা বাড়তে দেখা গেছে, কিন্তু testosterone-সহ অন্যান্য কয়েকটি হরমোনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।
নারীদের ক্ষেত্রেও অর্গাজমের পর prolactin ও কিছু অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন দেখা গেছে, যা স্বাভাবিক যৌন প্রতিক্রিয়ার অংশ। তাই অর্গাজমের পর কিছু সময় শরীর শিথিল লাগাকে ‘শরীরের শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া’ বলা ঠিক নয়।
মিথ ২: বীর্য বের হলে শরীরের ‘মূল শক্তি’ নষ্ট হয়
বীর্যকে শরীরের এমন কোনো সীমিত ‘শক্তির ভাণ্ডার’ হিসেবে দেখা চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বীর্য ও শুক্রাণু শরীরের প্রজনন ব্যবস্থার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। বীর্যপাতের পরও শরীর নতুন শুক্রাণু তৈরি করতে থাকে। এমনকি বীর্যপাতের সঙ্গে testosterone-এর স্থায়ী ক্ষয় হয়—এমন প্রমাণও নেই।
একটি randomized crossover pilot study-তে সুস্থ তরুণ পুরুষদের masturbation-এর পর free testosterone-এর কিছু পরিবর্তন দেখা গেলেও total testosterone, free testosterone ও cortisol-এর অনুপাতের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া যায়নি। গবেষকেরা নিজেরাই বলেছেন, ফলটি নিশ্চিত করতে আরও বড় গবেষণা প্রয়োজন।
আরেকটি গবেষণায় masturbation-induced orgasm-এর পর পুরুষদের testosterone-এ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ “বীর্যপাত মানেই testosterone বা শরীরের শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া”—এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
মিথ ৩: হস্তমৈথুন করলে ভবিষ্যতে সন্তান হবে না
নিয়মিত হস্তমৈথুন পুরুষের স্থায়ী বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি করে—এমন প্রমাণ নেই। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বোঝা দরকার—বীর্যপাতের বিরতি এবং বন্ধ্যাত্ব এক বিষয় নয়। বীর্য পরীক্ষার আগে চিকিৎসক নির্দিষ্ট সময় বীর্যপাত থেকে বিরত থাকতে বলতে পারেন। এর কারণ হলো পরীক্ষার জন্য নমুনার কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য মূল্যায়ন করা।
গবেষণায় দেখা গেছে, বীর্যপাত থেকে বিরতির সময় semen volume ও sperm concentration-এর মতো কিছু মান পরিবর্তিত হতে পারে। ২০১৮ সালের একটি systematic review-তে ২৮টি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দীর্ঘ বিরতিতে semen volume ও sperm count বাড়তে পারে; কিন্তু sperm motility, morphology এবং DNA fragmentation-এর ফলাফল বিভিন্ন গবেষণায় একরকম নয়।
আরও সাম্প্রতিক ২০২৪ সালের একটি systematic review ও dose-response meta-analysis-এ ৮৫টি গবেষণা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, বীর্যপাত থেকে বিরতির সময় semen-এর বিভিন্ন মানকে ভিন্নভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং ‘যত বেশি বিরতি, তত ভালো’—এমন সরল সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
তাই বীর্য পরীক্ষার আগে কয়েক দিন বিরতি নেওয়ার চিকিৎসাগত পরামর্শকে “হস্তমৈথুন বন্ধ্যাত্ব ঘটায়”—এর প্রমাণ হিসেবে দেখা ঠিক নয়।
মিথ ৪: হস্তমৈথুন করলে যৌনক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়
হস্তমৈথুন দীর্ঘমেয়াদে পুরুষের যৌনক্ষমতা নষ্ট করে বা testosterone স্থায়ীভাবে কমিয়ে দেয়—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। বরং যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণায় masturbation-কে মানুষের স্বাভাবিক যৌন আচরণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে।
কেউ যদি এমনভাবে যৌন আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন যে সেটি তাঁর দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, ঘুম, সম্পর্ক বা সামাজিক জীবনে উল্লেখযোগ্য সমস্যা তৈরি করছে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের একটি sexual medicine review-তে compulsive sexual behavior নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে, শুধু যৌন আকাঙ্ক্ষা বেশি হওয়া বা masturbation করাকে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়; বরং আচরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং তার কারণে বাস্তব জীবনে উল্লেখযোগ্য সমস্যা বা distress তৈরি হচ্ছে কি না, সেটি বিবেচনা করা জরুরি। অর্থাৎ সমস্যাটি শুধু “কতবার করছেন” নয়—এটি আপনার জীবনে কী প্রভাব ফেলছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
মিথ ৫: হস্তমৈথুন করলে চোখ নষ্ট হয়, ব্রণ হয় বা উচ্চতা কমে যায়
এসব প্রচলিত ধারণার পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়া, অন্ধত্ব, উচ্চতা থেমে যাওয়া কিংবা ব্রণ হওয়ার মতো বিষয়কে হস্তমৈথুনের সরাসরি ফল হিসেবে দেখার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
হস্তমৈথুনের পর সাময়িক শারীরিক অনুভূতি—যেমন ক্লান্তি বা ঘুমঘুম ভাব—থাকতে পারে। কিন্তু সেটিকে চোখের দৃষ্টি নষ্ট হওয়া বা শরীরের বৃদ্ধি বন্ধ হওয়ার সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক নয়।
মিথ ৬: হস্তমৈথুন করলে testosterone কমে যায়
হস্তমৈথুনের পর testosterone স্থায়ীভাবে কমে যায়—এমন প্রমাণ নেই। বরং গবেষণায় দেখা গেছে, masturbation ও orgasm-এর পর testosterone-এর প্রতিক্রিয়া জটিল এবং সাময়িক হতে পারে। ২০২১ সালের একটি randomized crossover pilot study-তে masturbation-এর পর free testosterone-এর কিছু পরিবর্তন দেখা গেলেও testosterone ও cortisol-এর অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া যায়নি। গবেষণাটির sample ছোট হওয়ায় গবেষকেরা বড় গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।
আরেকটি গবেষণায় masturbation-induced orgasm-এর পর testosterone-এর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া যায়নি।
তাই “বীর্যপাত করলে testosterone শেষ হয়ে যায়”—এই ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত নয়।
মিথ ৭: শুধু পুরুষরাই হস্তমৈথুন করেন
নারীরাও হস্তমৈথুন করতে পারেন। যৌনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় নারী ও পুরুষ—উভয়ের masturbation নিয়ে গবেষণা হয়েছে। ২০২৪ সালের একটি systematic review-তেও নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে masturbation ও sexual satisfaction-এর সম্পর্ক আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। নারীর যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক আলোচনা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এ বিষয়ে ভুল ধারণা আরও বেশি থাকতে পারে।
তবে এখানেও একই কথা প্রযোজ্য—কেউ করেন, কেউ করেন না। শুধু এই আচরণের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি দিয়ে একজন মানুষের স্বাভাবিকতা বিচার করা যায় না।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে যৌন উত্তেজনা ও অর্গাজম সাময়িকভাবে শিথিলতা বা ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করতে পারে।গবেষণাতেও masturbation-কে কিছু ক্ষেত্রে immediate well-being ও sexual health-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে হস্তমৈথুন কোনো মানসিক রোগের চিকিৎসা বা সবার জন্য stress-management-এর নির্দিষ্ট পদ্ধতি। একজনের অভিজ্ঞতা অন্যজনের ক্ষেত্রেও একই হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
হস্তমৈথুন ও সন্তান ধারণের বিষয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার—বারবার বীর্যপাত করলে সাময়িকভাবে একটি নির্দিষ্ট ejaculate-এ sperm count বা semen volume কম হতে পারে; এর অর্থ স্থায়ী বন্ধ্যাত্ব নয়।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ejaculation-এর মধ্যবর্তী সময় semen-এর বিভিন্ন parameter-এ পরিবর্তন ঘটাতে পারে। ২০২৪ সালের meta-analysis-এ short ও long abstinence-এর মধ্যে sperm concentration, total sperm count, semen volume এবং DNA fragmentation-এর মতো সূচকে পার্থক্য পাওয়া গেছে। তবে fertility outcome-এর ক্ষেত্রে ফলাফল জটিল এবং সব গবেষণায় একই রকম নয়।
অর্থাৎ, একটি semen sample-এর মান এবং একজন মানুষের দীর্ঘমেয়াদি fertility—দুটিকে এক করে দেখা ঠিক নয়।
তাহলে ভয়গুলো এত প্রচলিত কেন?
যৌনতা নিয়ে সামাজিক নীরবতা ও লজ্জার জায়গায় অনেক সময় বৈজ্ঞানিক তথ্যের বদলে ভয়, কুসংস্কার ও মুখে মুখে ছড়ানো গল্প জায়গা করে নেয়। গবেষণাতেও দেখা যায়, masturbation নিয়ে সামাজিক taboo ও shame মানুষের মধ্যে distress তৈরি করতে পারে। ফলে একজন কিশোর বা তরুণ হয়তো নিজের স্বাভাবিক শারীরিক অভিজ্ঞতাকেই রোগ বা অপরাধ হিসেবে ভাবতে শুরু করেন। এখানে সঠিক তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।
সবচেয়ে বড় ভুলটা কোথায়?
হস্তমৈথুন নিয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়তো হস্তমৈথুন নিজে নয়—এটি নিয়ে ভুল তথ্য। একদিকে কেউ ভয় দেখান, অন্যদিকে কেউ সবকিছুকে ‘স্বাভাবিক’ বলে এড়িয়ে যান। অথচ সঠিক পথ হলো মাঝখানে থাকা—তথ্য জানা, নিজের শরীরকে বোঝা এবং সমস্যা হলে প্রয়োজনীয় সাহায্য নেওয়া।
হস্তমৈথুন করা অপরাধ নয়। আবার না করাও কোনো সমস্যা নয়। এটি নিয়ে লজ্জা বা ভয় তৈরি করার পরিবর্তে যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা জরুরি। কারণ শরীর নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। প্রশ্ন করা লজ্জার নয়; ভুল তথ্যের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই বরং ঝুঁকিপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শুধু ‘হস্তমৈথুন ভালো না খারাপ?’ নয়।
প্রশ্ন হলো—আপনি আপনার শরীর সম্পর্কে কতটা সঠিক তথ্য জানেন?
রোদসীর সম্পাদকীয় বার্তা: যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন থাকলে চুপ করে থাকবেন না, আবার ইন্টারনেটের যেকোনো কথাকেও সত্য ধরে নেবেন না। বিশ্বস্ত চিকিৎসা-তথ্য যাচাই করুন, প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং ভুল ধারণা ছড়িয়ে না দিয়ে সঠিক তথ্যটি অন্যের কাছেও পৌঁছে দিন। এই লেখাটি যদি আপনার কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়, এমন একজন মানুষের সঙ্গে শেয়ার করুন—যিনি হয়তো একই প্রশ্নটি করছেন, কিন্তু কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারছেন না।