টেকসই পর্যটনে অর্থনীতি, পরিবেশ ও নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে রোদসীর গোলটেবিল বৈঠক

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকসই পর্যটনে অর্থনীতি, পরিবেশ ও নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে রোদসীর গোলটেবিল বৈঠক

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং টেকসই উন্নয়নে অর্থনীতি, পরিবেশ ও নারীর অংশগ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রোদসী’র গোলটেবিল বৈঠক। ‘টেকসই পর্যটন: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নারীর অংশগ্রহণ’ শীর্ষক এ আয়োজনে পর্যটন খাতের পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ, লেখক ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে প্রধান সহযোগী হিসেবে ছিল ফ্যান্টাসি কিংডম। 


৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বাংলামোটরের প্ল্যানার্স টাওয়ারে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন রোদসীর সম্পাদক ও প্রকাশক সাবিনা ইয়াসমীন।




আলোচনায় বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়নে পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা, স্থানীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণ, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করা এবং পর্যটন খাতে নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বাড়ানোর বিভিন্ন দিক উঠে আসে।


বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা অনেক হলেও পরিকল্পিত উদ্যোগ, সরকারি সহায়তা, কার্যকর বিপণন, নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতির অভাবে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারছে না এ খাত। পর্যটনকে শুধু ভ্রমণ বা বিনোদনের বিষয় হিসেবে না দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প ও অর্থনৈতিক খাত হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।


নিরাপত্তায় প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ


পর্যটনের ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে নিরাপত্তাকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয় আলোচনায়। বক্তারা বলেন, পর্যটকদের অনেক সময় রাত-বিরাতে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেতে হয়। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকলে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো কঠিন।


এ বিষয়ে আলোচনায় বলা হয়, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিপদে পড়লে দ্রুত সহায়তা পাওয়ার জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাবও উঠে আসে। একটি অ্যাপের মাধ্যমে কোনো পর্যটক বিপদে পড়লে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের কাছে একই সঙ্গে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিশেষ করে নারী পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য এমন উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন বক্তারা।




সরকারি উদ্যোগ ছাড়া পর্যটনের উন্নয়ন কঠিন


টিড্যাবের অ্যাডভাইজার সৈয়দ হাবীব আলী বলেন, যেসব দেশে পর্যটন খাত উন্নত হয়েছে, সেখানে সরকারি উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর মতে, সরকারি সহায়তা ছাড়া পর্যটন শিল্পের টেকসই বিকাশ সম্ভব নয়।


তিনি বলেন, “যেসব দেশে পর্যটন খাত উন্নয়ন হয়েছে, সেগুলো সরকারি উদ্যোগেই বেশি হয়েছে। সরকারি উদ্যোগ ছাড়া সম্ভব নয়। আমাদের দেশের সবাই পর্যটন বোঝে, কিন্তু পর্যটনকে ব্যবসা হিসেবে বোঝে না। পর্যটক হিসেবে দেখে, ব্যবসায়ী হিসেবে দেখে না। এমনকি মন্ত্রীরাও পর্যটক হিসেবে বোঝেন, ব্যবসায়ী হিসেবে বোঝেন না। পর্যটন ব্যবসা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা। এখানে সরকারি সহায়তা ছাড়া সম্ভব নয়। এখন আমাদের উচিত, আমরা যারা পর্যটন খাত নিয়ে কাজ করি, সবাইকে এক কণ্ঠে এ বিষয়ে কথা বলতে হবে।”


সম্ভাবনা থাকলেও পিছিয়ে বাংলাদেশ


বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক সিইও জাবেদ আহমেদ বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনার তুলনায় বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। তাঁর মতে, পর্যটন খাতের বিকাশে সরকার যেসব মৌলিক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে আগ্রহী হবে, সেসব জায়গায় বছরের পর বছর দুর্বলতা রয়ে গেছে।


তিনি বলেন, “সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আন্ডারপারফর্ম করছে। পারফর্ম করতে পারছে না। পর্যটনের ক্ষেত্রে সরকার যে জায়গাগুলোতে এগিয়ে গেলে বেসরকারি খাত এগিয়ে আসবে, সেই জায়গাগুলো বছরের পর বছর দুর্বল থেকে যাচ্ছে। এ কারণে এ খাত অর্থনীতিতে তেমন একটা অবদান রাখতে পারছে না।”


পর্যটনকে ভাবনায় আনতে হবে


ট্রাভেল বাংলা জার্নালের চিফ এডিটর প্রণব সাহা পর্যটনকে জাতীয় পরিকল্পনা ও চিন্তার অংশ করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, পর্যটন খাতকে টেকসই করতে হলে শুধু বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়, মানুষের চিন্তাভাবনার মধ্যেই পর্যটনকে জায়গা দিতে হবে।


তিনি বলেন, “পর্যটনকে টেকসই করতে হলে দেশের এ খাত-সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রমকে নতুনভাবে ভাবতে হবে। দেশের পর্যটন একেবারে বন্ধ হয়ে গেলে যদি আমরা সচেতন হই, তখন হয়তো ভাবব আমরা পর্যটন নিয়ে কী করতে পারি। মনোজগতে ট্যুরিজম না ঢুকলে ঠিক হবে না।”


পর্যটনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে


প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন (পাটা) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি জেনারেল তৌফিক রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের বিভিন্ন সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় পর্যটন খাত যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবও পড়েছে এ খাতে। পাশাপাশি পর্যটনের যথাযথ বিপণনের অভাবকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।


তাঁর ভাষায়, “স্বাধীনতার পর থেকে যে সরকারগুলো ক্ষমতায় এসেছে, তাদের প্রায় কারও অগ্রাধিকার তালিকায় ট্যুরিজম সেক্টর ছিল না। এখন হয়তো চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের দেশের বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিদেশি পর্যটক কমে গেছে। একেবারে যে পরিবর্তন হয়নি, তা বলব না। তবে দেশ যেহেতু ট্যুরিজমকে প্রায়োরিটি দিচ্ছে না, সেখানে অগ্রগতি ধীর হয়। আমাদের দেশে যদি পর্যটন নিয়ে সঠিকভাবে মার্কেটিং করা হতো, তাহলে এ খাতের চিত্র বদলে যেত।”


পর্যটনে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে বদলাতে হবে দৃষ্টিভঙ্গি


অটর্কি ট্যুরসের সিইও নুরানী শারমিন আফরোজ বলেন, পর্যটন খাতে কাজ করার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের আলাদা পরিচয়কে বড় করে দেখলে নারীদের এগিয়ে যাওয়া কঠিন হবে। তাঁর মতে, পর্যটন মূলত একটি পেশা ও শিল্প—এখানে লিঙ্গভেদে কাজের সুযোগ নির্ধারিত হওয়া উচিত নয়।


তিনি বলেন, “ট্যুরিজম সেক্টরে কাজ করতে গিয়ে যদি আমি নিজেকে নারী ভাবি, তাহলে করতে পারব না। ট্যুরিজমে কোনো জেন্ডার—মেল এবং ফিমেল—নেই। কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, সেটা ট্যুরিজমের জন্য নয়; এটা সমাজের চিন্তাধারার কারণে।”


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন খাতে নারীর অংশগ্রহণ এখনো আশানুরূপ নয়। পর্যটন বিষয়ে পড়াশোনা করে অনেক নারী বের হলেও কর্মক্ষেত্রে তাঁদের উপস্থিতি কম। এ অবস্থার পরিবর্তনে প্রচার-প্রচারণায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।


নুরানী শারমিন বলেন, “ট্যুরিজম সেক্টরে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হলে প্রচার-প্রচারণায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। পর্যটন নিয়ে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে মেয়েদের নিতে হবে। তাহলে মেয়েদের মধ্যে ট্যুরিস্ট গাইড হওয়ার ইচ্ছা তৈরি হতে পারে। ট্যুরিস্ট গাইড একটি ভালো পেশা—এমন চিন্তাধারা তৈরি হওয়া দরকার।”


পর্যটন সাংবাদিকতায় বদল দরকার


বাংলা টিভির প্রধান সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম পর্যটনকে যেভাবে তুলে ধরার কথা ছিল, তা এখনো করতে পারেনি। তাঁর মতে, মৌসুমি ও দিবসভিত্তিক প্রতিবেদনের বাইরে গিয়ে পর্যটনকেন্দ্রের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং সেখানে যাওয়ার বাস্তব প্রক্রিয়া নিয়ে নিয়মিত সাংবাদিকতা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, “পর্যটনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মিডিয়া যেটা করা দরকার ছিল, সেটা আমরা করতে পারিনি। কারণ আমরা রিপোর্টিং করি মৌসুমভিত্তিক, দিবসভিত্তিক। বিভিন্ন স্থানের সুন্দর ছবি নিয়ে কিছু রিপোর্টিং হচ্ছে। কিন্তু রিপোর্টিং হওয়া দরকার ওই স্থানের ইতিহাস বা হেরিটেজ নিয়ে। এর পর যেটা হয়, সেখানে কীভাবে যাব, যাওয়ার প্রক্রিয়া কী—এসব নিয়েও রিপোর্ট হওয়া দরকার।”


তিনি আরও বলেন, “পর্যটনটা আমাদের প্রায়োরিটির দিক থেকে অনেকটা পিছিয়ে আছে। পত্রিকার পাতা ভরার জন্য পর্যটন নিয়ে আসা হয়। এ জায়গা থেকে যদি আমরা বের হতে না পারি, তাহলে পরিবর্তন আসবে না।”


টেকসই পর্যটনই ঘোরাবে অর্থনীতির চাকা


ঐতিহ্য পর্যটক ও লেখক এলিজা বিনতে এলাহী পর্যটনকে শুধু ভ্রমণের বিষয় হিসেবে না দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প হিসেবে দেখার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, পর্যটনের সঙ্গে অর্থনীতি, পরিবেশ, স্থানীয় সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রা গভীরভাবে সম্পর্কিত।


তিনি বলেন, “পর্যটন হলেই সেটা টেকসই করতে হবে, কারণ এটি একটি শিল্প। টেকসইতার সঙ্গে সঙ্গে যেটা আসে, সেটা হলো অর্থনীতি। টেকসই শিল্পকে যখন আমরা কাজে লাগাই, তখন সেটা অর্থনীতির চাকাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘুরাবে। অর্থনীতির চাকাটা যখন ঘুরবে, স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশেরও পরিবর্তন হবে।”


বাংলাদেশের বাস্তবতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পে বয়স বা লিঙ্গ কোনো বাধা নয়। পাঁচ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৭০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত নারী-পুরুষ সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পে অবদান রাখতে পারেন। কুটিরশিল্পে কাজ করা একজন নারীও পর্যটন অর্থনীতির অংশীদার হতে পারেন।


এলিজা বিনতে এলাহী বলেন, “যে নারী কুটিরশিল্পে কাজ করছেন, তিনিও সমানভাবে পর্যটনে অবদান রাখছেন। আমাদের জীবনে খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে আমরা যা কিছু করছি, সবকিছুকেই পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করা যায়।”


বাংলাদেশের পর্যটনের ঐতিহাসিক সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, বহু শতাব্দী আগে থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা এ ভূখণ্ডে এসেছেন এবং তাঁদের ভ্রমণকাহিনি ও দিনলিপিতে বাংলাদেশের ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতির নানা তথ্য উঠে এসেছে।


তিনি বলেন, “বাংলাদেশের যে সম্ভাবনা আছে, সেটা হাজার বছর আগেই প্রমাণিত হয়ে গেছে। তখন বিশ্ব পর্যটকেরা আমাদের দেশে এসেছেন, আমাদের দেশ সম্পর্কে লিখেছেন। আমাদের প্রাচীন ইতিহাস আমরা পর্যটকদের লেখনী থেকেই জেনেছি। গবেষকেরা যে উপাত্ত ব্যবহার করছেন, তার অনেকটাই পর্যটকদের দিনলিপি থেকে নেওয়া।”


তবে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ পর্যটনের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে পর্যটনকে অর্থনীতি, পরিবেশ ও মানুষের অংশগ্রহণের সঙ্গে সমন্বিত করার আহ্বান জানান তিনি।


সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন


গোলটেবিলের আলোচনায় বক্তারা একমত হন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সরকারি নীতি ও বিনিয়োগ, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা, নিরাপত্তা, কার্যকর বিপণন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ—সবকিছুর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।


একই সঙ্গে পর্যটন খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, প্রচার-প্রচারণায় নারীর ইতিবাচক উপস্থিতি এবং নেতৃত্বের সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন আলোচকরা।


নারীর সম্ভাবনা, অধিকার ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নসহ সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ‘রোদসী’। নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় ও জনসচেতনতা তৈরিতে নিয়মিত উদ্যোগ গ্রহণ করছে প্রতিষ্ঠানটি।


এরই ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এ গোলটেবিলের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আরও টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরা এবং পর্যটন খাতে নারীর জন্য নতুন সম্ভাবনা ও অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা করা।


উল্লেখ্য,  গোলটেবিল বৈঠকে ফুড সহযোগিতা করেছে সীমাস কিচেন।

sidebar ad