ভিটামিন ডি কমে গেলে শরীরে ভেসে ওঠে পরিচিত ৬ লক্ষণ

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভিটামিন ডি শুধু হাড় শক্ত রাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়—এটি পেশি, স্নায়ু ও রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থার স্বাভাবিক কাজেও ভূমিকা রাখে। শরীরে ভিটামিন ডি কমে গেলেও অনেকের ক্ষেত্রে শুরুতে কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। তবে ঘাটতি বেশি হলে কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।


যেসব লক্ষণ খেয়াল করা অতি জরুরী-


১. সবসময় ক্লান্ত লাগা: পর্যাপ্ত ঘুমের পরও দুর্বল বা অবসন্ন বোধ হতে পারে।



২. হাড়ে ব্যথা: বিশেষ করে কোমর, পিঠ, পা বা শরীরের বিভিন্ন হাড়ে অস্বস্তি কিংবা ব্যথা হতে পারে।



৩. পেশিতে দুর্বলতা: সিঁড়ি ভাঙা, চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ানো বা দৈনন্দিন কাজ করতে আগের তুলনায় বেশি কষ্ট হতে পারে।



৪. বারবার অসুস্থ হওয়া: ভিটামিন ডি রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। ঘাটতি থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে—যদিও শুধু ঘন ঘন অসুস্থ হওয়াকে ভিটামিন ডি ঘাটতির নির্দিষ্ট লক্ষণ বলা যায় না।



৫. মুড পরিবর্তন: কিছু মানুষের ক্ষেত্রে মন খারাপ, বিষণ্নতা বা মুডের পরিবর্তনের সঙ্গে ভিটামিন ডি ঘাটতির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে এর পেছনে আরও অনেক কারণ থাকতে পারে।



৬. ক্ষত সারতে দেরি হওয়া ও চুল পড়া: ভিটামিন ডি ঘাটতির সঙ্গে এসবের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা রয়েছে, তবে এগুলো ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষণ নয়।



শিশুদের ক্ষেত্রে


গুরুতর ও দীর্ঘস্থায়ী ভিটামিন ডি ঘাটতিতে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে রিকেটস হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতিতে হাড় দুর্বল হয়ে অস্টিওম্যালেশিয়া হতে পারে।



কী করবেন?


উপরের লক্ষণগুলো থাকলেই যে ভিটামিন ডি কমেছে—এমন নয়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে রক্তের 25-hydroxyvitamin D [25(OH)D] পরীক্ষা করা যেতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজন হলে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট দিতে পারেন।



তথ্যসূত্র: এনএইচএস (ইউকে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস)

sidebar ad