একজন নারীর ‘না’ বলা আয়ত্ত করা কেন জরুরি


ছবি: এআই/রোদসী
ছবি: এআই/রোদসী

‘না’ শব্দটি খুব ছোট। কিন্তু অনেক নারীর জীবনে এই ছোট শব্দটিই সবচেয়ে কঠিন। কেউ সাহায্য চাইলে না বলতে পারেন না। পরিবারের কোনো দায়িত্ব নিতে না চাইলেও রাজি হয়ে যান। বন্ধুর অনুরোধ, আত্মীয়ের আবদার কিংবা সহকর্মীর বাড়তি কাজ—সবকিছুর ক্ষেত্রেই মনে হয়, ‘না’ বললে মানুষটি কষ্ট পাবেন। কেউ ভাববেন স্বার্থপর, কেউ হয়তো সম্পর্ক নষ্ট করবেন। কর্মক্ষেত্রে আবার আশঙ্কা থাকে—বস অসন্তুষ্ট হবেন না তো? সহকর্মীরা অসহযোগী ভাববেন না তো? ফলে নিজের ইচ্ছা, সময় কিংবা সামর্থ্যের বিরুদ্ধে গিয়েও অনেক নারী বলে ফেলেন—‘হ্যাঁ, আমি করে দিচ্ছি।’


সমস্যা হলো, এই ‘হ্যাঁ’ সবসময় সম্পর্ককে ভালো রাখে না। বরং বারবার নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে রাজি হতে হতে তৈরি হয় ক্লান্তি, বিরক্তি, ক্ষোভ এবং নিজের প্রতি অসন্তোষ। তাই ‘না’ বলা অভদ্রতা নয়। এটি নিজের সময়, সামর্থ্য, ব্যক্তিগত সীমা ও মানসিক স্বস্তির প্রতি সম্মান দেখানোর একটি উপায়।


বিশেষ করে নারীর জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক ও পারিবারিক প্রত্যাশায় নারীর কাছ থেকে অনেক সময় সহযোগিতা, যত্ন, মানিয়ে নেওয়া এবং সবার প্রয়োজনকে নিজের আগে রাখার আচরণ প্রত্যাশিত হয়। বাংলাদেশের সময় ব্যবহারের তথ্যেও দেখা যায়, অবৈতনিক গৃহস্থালি ও যত্নের কাজ নারীর ওপর অসমভাবে বেশি পড়ে।

‘না’ বলতে এত ভয় কেন? ‘না’ বলার ভয় আসলে শব্দটিকে নিয়ে নয়; ভয়টা হলো এর পর কী হবে—তা নিয়ে।


সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হবে?


কেউ কষ্ট পাবেন?


আমাকে স্বার্থপর মনে হবে?


পরিবার বলবে আমি বদলে গেছি?


সহকর্মীরা ভাববে আমি সহযোগিতা করতে চাই না?


বস মনে করবেন আমি দায়িত্বশীল নই?


এই আশঙ্কাগুলো ধীরে ধীরে এমন একটি অভ্যাস তৈরি করতে পারে, যেখানে নিজের ইচ্ছার চেয়ে অন্যের প্রত্যাশাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।


মনোবিজ্ঞানে চাপ বা সংঘাতের সময় অন্যকে খুশি করে পরিস্থিতি সামলানোর প্রবণতাকে কখনো ‘fawn response’ বলা হয়। তবে প্রতিটি ‘হ্যাঁ’ বা অন্যকে খুশি করার আচরণকে এই প্রতিক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক নয়। এটি বিশেষ করে তীব্র ভয়, হুমকি বা দীর্ঘস্থায়ী চাপের প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত একটি ধারণা। তবে দৈনন্দিন জীবনে অতিরিক্ত people-pleasing বা সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা যে নিজের প্রয়োজনকে বারবার পিছিয়ে দিতে পারে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।


নিজের জীবনে ‘না’ বলা কেন জরুরি?


প্রথমত, নিজের সীমা বোঝার জন্য। প্রত্যেক মানুষের সময়, শক্তি, অর্থ, মনোযোগ ও মানসিক সামর্থ্যের সীমা আছে। সব অনুরোধ গ্রহণ করা সম্ভব নয়। অথচ ‘ভালো মানুষ’ হওয়ার ধারণা থেকে অনেক নারী মনে করেন, সবসময় সহযোগিতা করাই ভালো আচরণ। কিন্তু নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে বারবার দায়িত্ব নেওয়া শেষ পর্যন্ত উল্টো ফল দিতে পারে। আজ বন্ধুর একটি কাজ করে দিলেন। কাল সহকর্মীর কাজও নিজের কাঁধে নিলেন। পরশু পরিবারের আরেকটি দায়িত্ব। এভাবে চলতে থাকলে একসময় নিজের কাজই পিছিয়ে যেতে পারে।


তখন ‘হ্যাঁ’ বলা আর উদারতা থাকে না; সেটি নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ হয়ে দাঁড়ায়। একটি সুস্থ ‘না’ তাই বলতে পারে— ‘আমি সাহায্য করতে চাই, কিন্তু এই মুহূর্তে পারছি না।’ এখানে কাউকে অপমান করা নেই। আছে নিজের সীমা পরিষ্কার করা।


পরিবারে ‘না’ বলা কেন দরকার?

নারীর জীবনে ‘না’ বলার সবচেয়ে কঠিন জায়গাগুলোর একটি পরিবার। কারণ পরিবারে দায়িত্বের সঙ্গে আবেগ জড়িয়ে থাকে। মা-বাবার অনুরোধ, স্বামীর প্রত্যাশা, সন্তানের প্রয়োজন, শ্বশুরবাড়ির দায়িত্ব কিংবা আত্মীয়ের আবদার—সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে। ফলে একজন নারী হয়তো ক্লান্ত, কিন্তু তবুও বলেন, ‘আমি করে দিচ্ছি।’


বাংলাদেশের ২০২১ সালের Time-Use Survey নিয়ে UN Women-এর তথ্য বলছে, গৃহস্থালি ও যত্নের কাজের বড় অংশ নারীর ওপর পড়ে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও UN Women-এর যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত হিসাব আরও দেখিয়েছে, ২০২১ সালে বাংলাদেশে অবৈতনিক গৃহস্থালি ও যত্নের কাজের অর্থনৈতিক মূল্য ছিল প্রায় ৬.৭ ট্রিলিয়ন টাকা, যা দেশের জিডিপির ১৮.৯ শতাংশের সমান; এর ৮৫ শতাংশ অবদান নারীদের।


এই বাস্তবতায় পরিবারের প্রতিটি দায়িত্বে ‘হ্যাঁ’ বলা মানে অনেক সময় নিজের বিশ্রাম, কাজ বা ব্যক্তিগত সময়কে বিসর্জন দেওয়া। তাই পরিবারে ‘না’ বলার অর্থ দায়িত্বহীন হওয়া নয়। বরং দায়িত্বের ন্যায্য বণ্টনের দাবি তোলা। ‘আজ আমি পারব না, তুমি কি কাজটা করতে পারবে?’ ‘এই সপ্তাহে আমার কাজের চাপ বেশি, তাই অন্যভাবে ব্যবস্থা করতে হবে।’ ‘সব দায়িত্ব আমি একা নিতে পারছি না।’ এগুলো সম্পর্ক ভাঙার বাক্য নয়। বরং সম্পর্কের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার বাক্য।


সমাজের প্রত্যাশার সামনে ‘না’


নারীর জন্য ‘না’ বলার আরেকটি কঠিন জায়গা হলো সামাজিক প্রত্যাশা। ভালো মেয়ে, ভালো স্ত্রী, ভালো মা, ভালো বউ, ভালো সহকর্মী—প্রতিটি পরিচয়ের সঙ্গে যেন একটি নির্দিষ্ট আচরণের তালিকা জুড়ে দেওয়া থাকে। সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে, প্রয়োজনে সাহায্য করতে হবে, পরিবারের কথা আগে ভাবতে হবে, বেশি প্রতিবাদ করা যাবে না। এই ‘ভালো মেয়ে’ হওয়ার চাপ অনেক সময় নারীর নিজের ইচ্ছাকে আড়াল করে দেয়।


UN Women-এর গবেষণাগুলোও দেখিয়েছে, নারীর যত্নদাতা হিসেবে সামাজিক পরিচয় ও প্রত্যাশা পারিবারিক দায়িত্বের বণ্টনকে প্রভাবিত করে। অনেক সমাজে সন্তান ও পরিবারের যত্নকে নারীর স্বাভাবিক বা প্রধান দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়।


ফলে কোনো নারী যখন বলেন, ‘এটা আমি করতে চাই না’, তখন সেটিকে অনেক সময় আত্মকেন্দ্রিকতা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু নিজের সীমা জানানো আর অন্যকে অসম্মান করা এক জিনিস নয়।


‘আমি পারব না’ মানেই ‘আমি তোমাকে গুরুত্ব দিই না’—এমন নয়।


কর্মক্ষেত্রে ‘না’ বলা আরও গুরুত্বপূর্ণ


কর্মক্ষেত্রে ‘না’ বলতে না পারার মূল্য অনেক সময় আরও বেশি। একজন সহকর্মী নিজের কাজ দিয়ে দিলেন। বস নির্ধারিত সময়ের বাইরে আরও একটি দায়িত্ব দিলেন। মিটিংয়ের পরও অতিরিক্ত কাজ করতে বলা হলো। নিজের কাজের চাপ থাকা সত্ত্বেও ‘না’ বলতে না পেরে রাজি হয়ে গেলেন। একবার, দুবার—এভাবে চলতে থাকলে আপনার ওপর বাড়তি কাজ দেওয়াটাই স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে।


আবার নারীর ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, কর্মক্ষেত্রে নারীদের কাছ থেকে ‘ভালো’, সহযোগিতাপূর্ণ ও উদার আচরণের প্রত্যাশা তৈরি হতে পারে। Harvard Business School-এর গবেষণাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নারীরা কর্মক্ষেত্রে দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান জানালে কখনো কখনো ‘backlash’-এর মুখোমুখি হতে পারেন; অর্থাৎ একই assertive আচরণ নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে সমানভাবে মূল্যায়িত নাও হতে পারে।


তাই কর্মক্ষেত্রে নারীর জন্য ‘না’ বলা শুধু ব্যক্তিগত সীমা রক্ষার বিষয় নয়; এটি পেশাগত সীমা ও দায়িত্বের স্পষ্টতাও তৈরি করে। তবে ‘না’ বলার ধরন এখানে গুরুত্বপূর্ণ। ‘আমি এই কাজ করব না’ বলার পরিবর্তে বলা যেতে পারে— ‘এই মুহূর্তে আমার দুটি ডেডলাইন আছে। নতুন কাজটি নিতে হলে কোন কাজটির সময়সীমা পরিবর্তন করা যায়?’


এতে সরাসরি প্রত্যাখ্যানের বদলে নিজের কাজের বাস্তবতা পরিষ্কার হয়।


‘না’ বলবেন কীভাবে?


১. সরাসরি বলুন

‘না’ বলার পর দশটি কারণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

বলতে পারেন—

‘দুঃখিত, এবার পারছি না।’

অথবা—

‘এই সপ্তাহে আমার সময় নেই, তাই দায়িত্বটি নিতে পারব না।’

আপনার ‘না’কে গ্রহণযোগ্য করার জন্য দীর্ঘ ব্যাখ্যা সবসময় প্রয়োজন হয় না।


২. মানুষকে নয়, অনুরোধকে প্রত্যাখ্যান করুন

আপনি মানুষটিকে প্রত্যাখ্যান করছেন না; একটি নির্দিষ্ট অনুরোধে রাজি হচ্ছেন না।

বন্ধুকে বলতে পারেন— ‘তোমাকে সাহায্য করতে ভালো লাগত, কিন্তু এই সপ্তাহে আমার নিজের কাজের চাপ অনেক। তাই এবার পারছি না।’

এতে সম্পর্কের উষ্ণতাও থাকে, সীমাটিও পরিষ্কার হয়।


৩. সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিতে না চাইলে সময় নিন

চাপের মুখে দেওয়া ‘হ্যাঁ’ পরে অনেক সময় আফসোসের কারণ হয়। তাই প্রয়োজন হলে বলুন—

‘একটু ভেবে জানাচ্ছি।’ ‘আমার সময়সূচি দেখে কাল জানাতে পারি?’ এই ছোট বিরতিটুকু আপনাকে নিজের সামর্থ্য ও ইচ্ছা যাচাই করার সুযোগ দেবে।


৪. বারবার চাপ দিলে একই কথা বলুন

কেউ আপনার ‘না’ মেনে নিতে না চাইলে বারবার নতুন যুক্তি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শান্তভাবে বলতে পারেন— ‘বুঝতে পারছি কাজটি জরুরি, কিন্তু এবার আমি নিতে পারছি না।’ আবার চাপ দিলে একই কথাই বলুন।


এ ধরনের পুনরাবৃত্তিকে assertiveness training-এ অনেক সময় ‘broken record technique’ বলা হয়। লক্ষ্য হলো তর্ক করা নয়, নিজের অবস্থান শান্তভাবে ধরে রাখা।


৫. বিকল্প দিন—যদি সত্যিই দিতে চান


‘এখন পারছি না, তবে আগামী সপ্তাহে পারব।’ ‘পুরো কাজটি করতে পারব না, তবে প্রথম অংশটি দেখে দিতে পারি।’ তবে বিকল্প দেওয়াটা বাধ্যতামূলক নয়। আপনি যদি কোনো বিকল্প দিতে না চান বা দিতে না পারেন, শুধু ‘না’ বলাও যথেষ্ট। যে ভুলগুলো ‘না’-কে দুর্বল করে


অতিরিক্ত ক্ষমা চাওয়া: একবার ‘দুঃখিত’ বলাই যথেষ্ট। বারবার ক্ষমা চাইলে নিজের সীমা জানানোর বদলে অপরাধবোধ প্রকাশ পেতে পারে।


মিথ্যা অজুহাত দেওয়া: মিথ্যা কারণ পরে ধরা পড়লে বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হতে পারে।


‘দেখি’, ‘হয়তো’, ‘পরে জানাব’ বলে ঝুলিয়ে রাখা:আপনি যদি জানেন যে উত্তর ‘না’, তাহলে অস্পষ্ট  উত্তর দিয়ে অন্য পক্ষের প্রত্যাশা বাড়ানোও ঠিক নয়।


রাগ করে ‘না’ বলা: সীমা নির্ধারণের জন্য আক্রমণাত্মক হওয়া প্রয়োজন নেই। দৃঢ় হওয়া এবং রূঢ় হওয়া এক বিষয় নয়।


‘না’ বলার পর অপরাধবোধ হলে? এটাই সবচেয়ে কঠিন অংশ। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা করেছেন, তারা প্রথম দিকে ‘না’ বলার পর অপরাধবোধ অনুভব করতে পারেন।


কেউ আপনার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে আপনি কষ্ট পেতে পারেন। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে সে আপনার প্রতি অন্যায় করেছে। একইভাবে আপনার ‘না’ শুনে কেউ হতাশ হতে পারেন, কিন্তু সেই হতাশা সামলানোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব আপনার নয়।


‘না’ মানে সম্পর্ক শেষ নয়

সুস্থ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো—সেখানে দুজনেরই সম্মতি ও অসম্মতির জায়গা থাকে। যে বন্ধুত্বে আপনি সবসময় রাজি হন, সেটি হয়তো বন্ধুত্বের চেয়ে নির্ভরতার সম্পর্ক হয়ে উঠেছে। যে পরিবারে আপনার ‘না’ বলার কোনো সুযোগ নেই, সেখানে দায়িত্ব ভাগাভাগির বদলে হয়তো প্রত্যাশার ভার তৈরি হয়েছে।


যে কর্মক্ষেত্রে আপনি প্রতিটি বাড়তি কাজ গ্রহণ না করলে আপনাকে ‘অসহযোগী’ বলা হয়, সেখানে হয়তো কাজের সীমা নির্ধারণের সংস্কৃতিই দুর্বল। তাই ‘না’ বলা সম্পর্ক নষ্ট করার হাতিয়ার নয়। বরং সম্পর্কের ভেতরে নিজের জায়গাটি স্পষ্ট করার একটি উপায়।


একজন নারীর জন্য ‘না’ বলা কেন জরুরি?


কারণ নিজের জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে অন্যকে খুশি করার চেষ্টা করতে করতে একজন নারী একসময় নিজের ইচ্ছাটাই ভুলে যেতে পারেন। কখন বিশ্রাম প্রয়োজন, কখন সাহায্য দরকার, কোন কাজটি তিনি করতে চান না, কোন আচরণ তাকে অস্বস্তিতে ফেলে, কোন দায়িত্ব তার একার নয়—এসব বোঝার জন্য ‘না’ বলা প্রয়োজন।


ব্যক্তিগত জীবনে এটি নিজের সময় ও মানসিক স্বস্তি রক্ষা করে।


পরিবারে এটি দায়িত্বের ন্যায্য বণ্টনের সুযোগ তৈরি করে।


সমাজে এটি প্রচলিত প্রত্যাশার বাইরে নিজের পছন্দ জানানোর সাহস দেয়।


কর্মক্ষেত্রে এটি পেশাগত সীমা, সময় ও দায়িত্ব পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।


সবচেয়ে বড় কথা, ‘না’ বলা মানে অন্যকে ছোট করা নয়। এটি নিজের প্রয়োজনকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে স্বীকার করা।

sidebar ad