কখন সিজারিয়ানের প্রয়োজন হতে পারে?


ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সন্তানের জন্ম একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।তবে মা ও শিশুর নিরাপত্তার স্বার্থে কখনো কখনো স্বাভাবিক প্রসবের পরিবর্তে সিজারিয়ান বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। কোন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত জরুরি হয়ে ওঠে, তা জানা প্রত্যেক অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তাঁর পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের নৈতিক অধিকার। 


সন্তান জন্মের সময় ঘনিয়ে এলে একজন মায়ের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়। 


আমার বাবু টা কি ভাল আছে তো?


সে নিরাপদে দুনিয়ায় আসবে তো?


আমার কোন বিপদ হবে না তো?


স্বাভাবিক প্রসব হবে, নাকি সিজারিয়ান করতে হবে? 


প্রসবব্যথা উঠলেও


জরায়ুমুখ না খুললে কী হবে? 


নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে কত দিন অপেক্ষা করা নিরাপদ? 


শিশুর নড়াচড়া কমে গেলে কিংবা গর্ভের পানি ভেঙে গেলে কী করা উচিত?


এসব প্রশ্নের উত্তর শুধু ভয় বা প্রচলিত ধারণার ওপর নির্ভর করে খোঁজা উচিত নয়। গর্ভাবস্থার প্রতিটি পরিস্থিতি প্রত্যেক মায়ের জন্য আলাদা। মায়ের শারীরিক অবস্থা, শিশুর অবস্থান, হৃদ্‌স্পন্দন, গর্ভের পানি এবং প্রসবের অগ্রগতি মূল্যায়ন করেই চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন স্বাভাবিক প্রসব চলবে,নাকি প্রসব প্ররোচিত করা হবে, নাকি সিজারিয়ান প্রয়োজন হবে।


আসুন দেখে নিই কখন কি লক্ষন দেখা দিলে সিজারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়:


১. দীর্ঘ সময় প্রসবব্যথা হলেও প্রসব এগোচ্ছে না:


প্রসবব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলেই সিজারিয়ান করতে হবে, এমন নয়। প্রথমবার মা হওয়ার ক্ষেত্রে প্রসবের প্রাথমিক পর্যায় তুলনামূলক দীর্ঘ হতে পারে। কিন্তু যথাযথ প্রসবপর্যায়ে পৌঁছানোর পরও জরায়ুমুখ প্রয়োজনমতো না খোলা, শিশুর মাথা নিচে না নামা কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে প্রসবের অগ্রগতি বন্ধ থাকলে চিকিৎসককে পরিস্থিতির উপর নির্ভর হতে হয়।


মা ও শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল থাকলে কিছু সময় পর্যবেক্ষণ, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ বা অন্যান্য চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের সুযোগ থাকতে পারে।


কিন্তু প্রসব না এগোলে কিংবা মা বা শিশুর ঝুঁকি তৈরি হলে সিজারিয়ান প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে: শুধু ১২ ঘণ্টা ব্যথা হয়েছে এ তথ্যের ভিত্তিতে সিজারিয়ানের সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। প্রসবের কোন পর্যায়ে আছেন, জরায়ুমুখ কতটা খুলেছে এবং মা-শিশুর অবস্থা কেমন এসবই গুরুত্বপূর্ণ।


২. জরায়ুমুখ না খোলা বা প্রসবের অগ্রগতি বন্ধ থাকা:


স্বাভাবিক প্রসবে জরায়ুমুখ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়, যাতে শিশু জন্মপথ দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে।  কখনো প্রসবব্যথা থাকা সত্ত্বেও জরায়ুমুখ যথেষ্ট প্রসারিত হয় না। আবার কখনো প্রসবের অগ্রগতি একটি পর্যায়ে গিয়ে থেমে যায়। এর পেছনে জরায়ুর সংকোচন যথেষ্ট শক্তিশালী না হওয়া, শিশুর অবস্থান বা আকারের সঙ্গে জন্মপথের অসামঞ্জস্যসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।চিকিৎসক পরিস্থিতি অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ, প্রসবের অগ্রগতি বাড়ানোর চিকিৎসা অথবা সিজারিয়ানের পরামর্শ দিতে পারেন। জরায়ুমুখ পুরোপুরি না খোলার কারণ ও প্রসবের পর্যায় না জেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া নিরাপদ নয়।


৩. নির্ধারিত তারিখের সাত দিন পার হয়ে গেলে:


গর্ভাবস্থার সম্ভাব্য প্রসবতারিখ পার হলেই যে সিজারিয়ান করতে হবে, তা নয়। সম্ভাব্য প্রসবতারিখ একটি আনুমানিক হিসাব।

অনেকের প্রসব এই তারিখের আগে বা পরে হতে পারে। তবে ৪১ সপ্তাহে পৌঁছালে সাধারণত প্রসব প্ররোচিত করার বিষয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। গর্ভকাল আরও বাড়লে শিশুর ঝুঁকি মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে হয়।

সবার ক্ষেত্রে একই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য নয়। এ সময় শিশুর নড়াচড়া, হৃদ্‌স্পন্দন, গর্ভের পানির পরিমাণ এবং মায়ের শারীরিক অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন হলে প্রসব প্ররোচিত করা যায়,সেটি সফল না হলে বা অন্য জটিলতা দেখা দিলে সিজারিয়ান লাগতে পারে।


সতর্কতা: নির্ধারিত তারিখ পার হওয়ার পর নিজে থেকে অপেক্ষার সময় বাড়াবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলোআপ করুন।


৪. চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা উপেক্ষা করা:


গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চেকআপ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়,এটি মা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতা, ডায়াবেটিস, শিশুর বৃদ্ধি, গর্ভের পানির পরিমাণ ও শিশুর অবস্থান প্রয়োজন অনুযায়ী এসব বিষয় পরীক্ষা করা হয়। কোনো পরীক্ষার ফল অস্বাভাবিক হলেই সিজারিয়ান বাধ্যতামূলক নয়। বরং ফলটির অর্থ কী, পুনরায় পরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন কি না এবং প্রসবের কোন পদ্ধতি নিরাপদ তা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।


চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করানো এবং রিপোর্টের ফল বুঝে নেওয়া তাই জরুরি।


৫. শিশুর ওজন বেশি হলে:


গর্ভের শিশুর ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বলে ধারণা করা হলে প্রসবের পরিকল্পনায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে।বড় শিশুর ক্ষেত্রে প্রসবের সময় কাঁধ আটকে যাওয়ার মতো জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।  তবে আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে শিশুর ওজনের যে অনুমান পাওয়া যায়, তা পুরোপুরি নির্ভুল নয়। শুধু ওজন বেশি মনে হচ্ছে বলে সব ক্ষেত্রেই সিজারিয়ান করতে হয় না। মায়ের ডায়াবেটিস আছে কি না, আগের প্রসবের ইতিহাস, অনুমান করা ওজন এবং অন্যান্য ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন।


৬. মায়ের উচ্চতা কম হলে:


কম উচ্চতার নারীর: স্বাভাবিক প্রসব অসম্ভব এমন ধারণা সঠিক নয়। অনেক কম উচ্চতার নারীও স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্ম দেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে মায়ের শ্রোণির গঠন ও শিশুর মাথার আকারের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকতে পারে। প্রসবের অগ্রগতি এবং অন্যান্য পরীক্ষার ফল থেকে এ ধরনের সমস্যা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


অতএব, শুধু উচ্চতা দিয়ে প্রসবের পদ্ধতি নির্ধারণ করা উচিত নয়। মায়ের সামগ্রিক স্বাস্থ্য, শিশুর আকার ও অবস্থান এবং প্রসবের অগ্রগতি বিবেচনা করতে হবে।


৭. গর্ভে শিশুর অবস্থান উল্টো বা অস্বাভাবিক হলে:


সাধারণত প্রসবের সময় শিশুর মাথা নিচের দিকে থাকে। কিন্তু কোনো কোনো শিশুর নিতম্ব বা পা নিচের দিকে থাকে, যাকে ব্রিচ পজিশন বলা হয়। আবার শিশু আড়াআড়িভাবেও অবস্থান করতে পারে। গর্ভাবস্থার শেষ দিকে শিশুর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ব্রিচ অবস্থানে নির্বাচিত কিছু ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব হলেও অনেক ক্ষেত্রে সিজারিয়ানকে নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শিশু আড়াআড়ি অবস্থানে থাকলে সাধারণত সিজারিয়ানের প্রয়োজন হয়।

তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিশুর সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করা এবং মা ও শিশুর অন্যান্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করা খুব জরুরি।


৮. শিশুর হৃদ্‌স্পন্দন অস্বাভাবিক হলে:


প্রসবের সময় শিশুর হৃদ্‌স্পন্দন পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাতে তার সুস্থতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। হৃদ্‌স্পন্দন স্বাভাবিক সীমার বাইরে চলে গেলে বা দীর্ঘ সময় ধরে উদ্বেগজনক পরিবর্তন দেখা দিলে শিশুর অক্সিজেন সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। শিশুর হৃদ্‌স্পন্দন সাধারণত প্রতি মিনিটে ১১০–১৬০ বার থাকাকে স্বাভাবিক ভিত্তিসীমা হিসেবে ধরা হয়। তবে শুধু একটি সংখ্যা দিয়ে শিশুর অবস্থা নির্ধারণ করা যায় না। হৃদ্‌স্পন্দনের পরিবর্তনের ধরন, স্থায়িত্ব, প্রসবের পর্যায় এবং অন্যান্য লক্ষণও বিবেচ্য। উদ্বেগজনক পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসক দ্রুত মূল্যায়ন করেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরও শিশুর বিপদের আশঙ্কা থাকলে জরুরি সিজারিয়ান প্রয়োজন হতে পারে।


৯. গর্ভের পানির পরিমাণ কমে গেলে:


গর্ভের পানি শিশুকে সুরক্ষা দেয় এবং তার স্বাভাবিক বিকাশে ভূমিকা রাখে। আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে পানির পরিমাণ কম পাওয়া গেলে গর্ভকাল, শিশুর বৃদ্ধি, মায়ের শারীরিক অবস্থা এবং শিশুর সুস্থতার অন্যান্য সূচক বিবেচনা করতে হয়। গর্ভের পানি কম থাকলেই সব ক্ষেত্রে সিজারিয়ান প্রয়োজন হয় না। গর্ভকাল অনুযায়ী নিবিড় পর্যবেক্ষণ, প্রসবের পরিকল্পনা কিংবা প্রসব প্ররোচিত করার প্রয়োজন হতে পারে। শিশুর অবস্থা উদ্বেগজনক হলে বা অন্য জটিলতা দেখা দিলে সিজারিয়ান লাগতে পারে।


নিজে থেকে পানি পান বাড়ালেই গর্ভের পানির সব সমস্যা সমাধান হবে এমন নিশ্চয়তাও নেই।কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।


১০. গর্ভের পানি ভেঙে গেলেও প্রসবব্যথা না ওঠা:


প্রসব শুরু হওয়ার আগে গর্ভের পানির থলি ফেটে পানি বেরিয়ে আসতে পারে। এমন হলে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে প্রসবব্যথা শুরু হয় না। কিন্তু পানি ভাঙার পর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই দ্রুত প্রসূতি বিভাগে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। গর্ভকাল কত সপ্তাহ, পানি ভাঙার পর কত সময় হয়েছে, জ্বর বা সংক্রমণের লক্ষণ আছে কি না এবং শিশুর অবস্থা কেমন এসব বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রসব প্ররোচিত করা হতে পারে। শুধু পানি ভেঙেছে এবং ব্যথা ওঠেনি বলেই সব ক্ষেত্রে সিজারিয়ান প্রয়োজন হয় না। পানি সবুজ বা বাদামি হলে, রক্তপাত হলে, জ্বর দেখা দিলে কিংবা শিশুর নড়াচড়া কমে গেলে জরুরি মূল্যায়ন আরও গুরুত্বপূর্ণ।


কোন লক্ষণগুলোতে দেরি না করে হাসপাতালে যাবেন?


*শিশুর নড়াচড়া স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে বা বন্ধ মনে হলে।


*গর্ভের পানি ভেঙে গেলে ব্যথা উঠুক বা না উঠুক।


*যোনিপথে বেশি রক্তপাত হলে।


*তীব্র বা একটানা পেটব্যথা হলে।


*তীব্র মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা বা খিঁচুনি হলে।


*জ্বর বা দুর্গন্ধযুক্ত পানি/স্রাব দেখা দিলে।


*প্রসবের সময় শিশুর হৃদ্‌স্পন্দন নিয়ে চিকিৎসক উদ্বেগ প্রকাশ করলে।


এসব ক্ষেত্রে বাড়িতে বসে প্রসবব্যথা বাড়ানোর চেষ্টা, নিজে থেকে ওষুধ খাওয়া কিংবা পরবর্তী চেকআপ পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত নয়।


সিজারিয়ান কি ব্যর্থতা, নাকি নিরাপদ সিদ্ধান্ত?


সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রসব ও সিজারিয়ান কোনোটিকেই সাফল্য বা ব্যর্থতার মাপকাঠি হিসেবে দেখা উচিত নয়। সিজারিয়ান একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচার, যার নিজস্ব ঝুঁকি ও সুস্থ হয়ে ওঠার সময় রয়েছে। আবার প্রয়োজনের সময় সিজারিয়ান মা ও শিশুর জীবন রক্ষা করতে পারে। অন্যদিকে, চিকিৎসাগত কারণ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান এড়িয়ে চলাও গুরুত্বপূর্ণ।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান কমাতে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত, প্রসব সম্পর্কে যথাযথ শিক্ষা এবং চিকিৎসাব্যবস্থায় প্রমাণভিত্তিক নির্দেশিকা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।


প্রসবের আগে চিকিৎসকের সঙ্গে নিজের শারীরিক অবস্থা, সম্ভাব্য ঝুঁকি, স্বাভাবিক প্রসবের সুযোগ এবং কখন সিজারিয়ান প্রয়োজন হতে পারে এসব নিয়ে আলোচনা করুন।


প্রয়োজনে সিদ্ধান্তের কারণ পরিষ্কার করে জানতে চান। প্রসবের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মা ও শিশুর নিরাপত্তা। স্বাভাবিক প্রসবের ইচ্ছা থাকা স্বাভাবিক, আবার চিকিৎসাগত প্রয়োজনে সিজারিয়ান গ্রহণ করাও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত। ভয় বা সামাজিক চাপ নয় সঠিক তথ্য, সময়মতো চিকিৎসা এবং মা-শিশুর কল্যাণই হোক প্রসবের সিদ্ধান্তের ভিত্তি। স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যভিত্তিক ফিচার।এটি ব্যক্তিগত চিকিৎসা-পরামর্শের বিকল্প নয়। প্রতিটি গর্ভাবস্থার সিদ্ধান্ত প্রসূতি বিশেষজ্ঞের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিতে হবে।

sidebar ad